www.muktobak.com

নিউ মিডিয়া : কতটা চ্যালেঞ্জ অপেক্ষায়?


 আকবর হোসেন    ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, ২:২১    মতামত


বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ধরণ এতো দ্রুত বদলে যাবে সেটি হয়তো আজ থেকে ১০ বছর আগে অনেকে ভাবতেও পারেননি। অনলাইন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত উত্থান পরিস্থিতিকে দ্রুত বদলে দিয়েছে। বাংলাদেশে বেসরকারি টেলিভিশনের বিস্তার হতে যতটা সময় লেগেছে, অনলাইন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তার ঘটতে তার অর্ধেক সময়ও লাগেনি। এ দু’টো মাধ্যমের বিস্তার এতোটাই দ্রুত হয়েছে যে এর সাথে খাপ খাওয়াতে অনেকর সময় লেগেছে, কিংবা অনেকে সেটি এখনো বুঝে উঠতে পারেনি।

পরিস্থিতি এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে টেলিভিশন, রেডিও কিংবা অনলাইনে কোন রিপোর্ট প্রচার কিংবা ছাপা হলে সেটি যতক্ষন না পর্যন্ত ফেসবুকে শেয়ার করা হচ্ছে, ততক্ষন পর্যন্ত এর কোন প্রভাব তৌরি হয়না।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ যতগুলো টেলিভিশন রিপোর্ট নিয়ে তরক-বিতরক, আলোচনা-সমালোচনা তৌরি হয়েছে তার সবকিছুই তৌরি হয়েছে ফেসবুকে শেয়ার হবার পর। টেলিভিশনে সে রিপোর্টটি প্রচার হবার পর অনেকে হয়তো সেটি লক্ষ্যই করেননি। কিন্ত সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষ করে ফেসবুক আলোচনা-সমালোচনার ক্ষেত্র তৌরি করে দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা অনলাইনে দর্শক পাঠক ধরার জন্য বাংলাদেশের মূলধারার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমও এখন বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। অনেক টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্র তাদের ফেসবুকে অফিসিয়াল পেজ যেমন খুলছে তেমনি অনলাইন ভার্শনও চালু করেছে। কারণ তারা বুঝতে পারছে, এটি না করলে টিকে থাকা সম্ভব নয়।

সোশ্যাল মিডিয়া কিভাবে বদলে দিচ্ছে সাংবাদিকতার ধারা? কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে সাংবাদিকতার ধারা কেন বদলে যাচ্ছে? এর উত্তর হচ্ছে পাঠক বা দর্শকদের ব্যপক অংশগ্রহন।

সংবাদপত্র কিংবা টেলিভশনে দর্শকদের মতামত প্রকাশের কোন সুযোগ ছিলনা। সাংবাদিকরা যে বিষয়টিকে খবর বলে মনে করতেন সেটিই খবর হতো। অনেকে মনে করতেন, সাংবাদিকরা যেভাবে ভাবছেন পাঠক কিংবা দর্শকরা সেভাবে ভাবছেন। কারণ কোন একটি নিউজ ছাপা হওয়া প্রচার হবার পরে সেটির সম্পর্কে দর্শকদের মূল্যায়ন কেমন সেটা জানার কোন উপায় ছিলনা। কিংবা জানার উপায় থাকলেও সেটাকে তেমন একটা গুরুত্ব দেয়া হয়নি। পত্রিকায় চিঠিপত্র কলাম ছিল ঠিকই কিন্ত সেখানে খবর সম্পরকে মানুষের মতামতের চেয়ে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে লেখা হত বেশি।

কিন্ত অনলাইন বা সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এটা আর সম্ভব নয়। একটা নিউজ অনলাইনে আপলোড হলে সেখানে অনেকেই মতামত দিচ্ছেন। কোন নিউজ পাঠক কততা গুরুত্ব দিচ্ছে, সেটা বোঝা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পাঠকদের প্রতিক্রিয়া দেখে। সাধারাণত যেসব সংবাদ মানুষের জীবনের সাথে বেশি ঘনিষ্ঠ এবং সেসব সংবাদ মানুষের জীবনের নানা গল্প প্রতিফলিত হয়, সেগুলোকে পাঠকরা বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।

অথচ আজ থেকে পাঁচ বছর আগেও অধিকাংশ সংবাদপত্রে বেশিরভাগ খবর থাকত ‘স্পিচ রিপোর্ট’। অর্থাৎ কে কী বলল। এখন টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর বেশিরভাগ খবর হল কে কী বলল। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী কী বললেন, অমুক মন্ত্রী কী বললেন, বিরধী দল কী বললো ইত্যাদি।

কিন্ত অবাক করা কথা হচ্ছে এসব নিউজ যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়, কিংবা অনলাইনে লেখা হয় তাহলে দেখা যায় পাঠক সেগুলো টানতে পারছেনা। কিন্ত অবশ্যই কোন রাজনীতিবিদ বা অন্য কোন ব্যক্তি যদি ‘সাংঘাতিক গুরুত্বপূর্ণ’ কোন মন্তব্য করেন তাহলে সেটি অবশ্যই পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

তাহলে এতে বোঝা যাচ্ছে, সাংবাদিকদের চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। অর্থাৎ কোন সংবাদ মাধ্যম যদি দিনের পর দিন একই ধরণের সংবাদ পরিবেশন করতে থাকে তাহলে তারা পাঠকপ্রিয়তা হারাবে। এতে প্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা মুশকিল হবে। এর মানে হচ্ছে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে পাঠক বা দর্শকদের চাহিদার দিকেও নজর দিতে হবে।

টেলিভিশনে কিংবা সংবাদপত্রের খবরের উপর মানুষের নির্ভরতা দিনকে দিন বাড়ছে বাংলাদেশে। কিন্ত সমান্তরালভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক এসব খবর সম্পর্কে মানুষের মাতামত দেবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হয়ে উঠেছে। মূলধারার সংবাদম্যধমে কোন কোন খবর নিয়ে অনেক সময় ব্যপক আলোচনা এবং বিতর্ক গড়ে উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

টেলিভিশন বা সংবাদপত্রের খবরা-খবর নিয়ে ফেসবুকে যেমন অনেকেই আলোচনা বা বিতর্কে মেতে উঠেন, আবার ফেসবুকে কখনো-কখনো এমন বিষয় ছড়িয়ে পড়ে যেটি সংবাদমাধ্যমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।

দর্শক এবং পাঠকদের মনে সাড়া জাগানো কিছু খবরের উৎস হয়েছ ফেসবুক। অর্থাৎ আগে ফেসবুকে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তারপর মূলধারার সংবাদমাধ্যমে খবর হয়েছে।

এক্ষেত্রে বেশ কিছু ঘটনার কথা উদাহরণ হিসেবে বলা যায়। এর মধ্যে সিলেটে শিশু রাজন হত্যাকাণ্ড, কুমিল্লায় তনু হত্তাকান্ড রয়েছে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে নিউজ এজেন্ডা নির্ধারণে কখনো-কখনো ফেসবুক বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে সোশ্যাল মিডিয়া মুলধারার সংবাদ মাধ্যমের বিকল্প হয়ে উঠেছে বলে বলা যায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংবাদপত্র বা অনলাইন যেসব খবর দিচ্ছে সেগুলোকে কেন্দ্র করেই মানুষ ফেসবুকে আলোচনা বা বিতর্ক করতে পছন্দ করে। আমার মনে হয়, একটি আরেকটির পরিপূরক হয়ে উঠেছে।

প্রযুক্তি আরেকটি গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়। মোবাইল ফোন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইদানিংকালে মানুষ তার মোবাইল ফোনের ভিতরেই সব খবর পেতে চায়। সময় করে টিভি সেটের সামনে বসা কিংবা পত্রিকা পড়া অনেকের জন্যই কঠিন। বিশেষ করে তরুণদের কাছে মোবাইল ফোন এখন তাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এখন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য মোবাইল ফোনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে মনে করছে।

এ কথা অনস্বীকার্য যে, আসছে দিনগুলোতে গণমাধ্যম চেষ্টা করবে মোবাইল সেটের জন্য উপযোগী কন্টেন্ট তৈরি করতে। কারণ দর্শক-শ্রতা-পাঠকদের টেলিভিশন সেটের সামনে বসে কিংবা ছাপা পত্রিকা পড়ার সময় থাকবে না। সবাই চাইবে তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি খবরা-খবর পেতে।

সেজন্য মোবাইল ফোন সেট ব্যবহার করে দ্রুত সংবাদ সংগ্রহ এবং তৈরি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। আমার ধারণা বড় ক্যামেরা নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করার দিন দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে।

আজকাল মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সংবাদ পাঠানো বেশ প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। কারণ সোশ্যাল মিডিয়া সে পরিস্থিতি তৈরি করেছে। অর্থাৎ শুধু টেলিভিশন সেটের উপযোগী করে সংবাদ পরিবেশন করলে হবেনা। মোবাইল সেটের জন্য সেটি কতটা উপযুক্ত সেই বিষয়টিও অবশ্যই মনে রাখতে হবে।

অর্থাৎ সংবাদটি কিভাবে পরিবেশন করা হচ্ছে সেটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সংবাদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে ‘ফেসবুক লাইভ’।

সাম্প্রতিককালে দেখা গেছে, যেকোন ঘটনায় টিভি লাইভের চেয়ে ফেসবুক লাইভে দর্শকদের আগ্রহ ও অংশগ্রহন বেশি দেখা যায়। টেলিভিশন লাইভকে দর্শকের অনেকেই প্যাসিভ বিষয় বলে মনে করে। কারণ সেখানে দর্শকদের কোন অংশগ্রহন থাকেনা। অন্যদিকে ফেসবুক লাইভে দর্শকরা তাদের মতামত জানানোর সুযোগ পায়।

অনলাইনের বিস্তার, সোশ্যাল মিডিয়ার জোড়ালো প্রভাব এবং সময়ের পরিবর্তনের কারণে একটি জিনিষ পরিস্কার অনুধাবন করা যাচ্ছে যে সংবাদের বিষয়ে মানুষের চাহিদা কিংবা রুচির পরিবর্তন ঘটেছে। আজ থেকে পাঁচ বছর আগে সে বিষয়টি বোঝা যেত না।কিন্ত এখন অনলাইন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে আমারা তাতখনিকভাবে সেটি পরিমাপ করতে পারছি। আমি মনে করি, অনলাইন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং মোবাইল ফোন এ তিনটি বিষয়কে মাথায় রেখে যারা কন্টেন্ট তৈরি করবে, তারাই দর্শকদের কাছে এগিয়ে থাকবে।

অনলাইন কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব দর্শকদের কাছে বেশ জোরালো। সংবাদপত্র বা টেলিভিশনে যখন কোন রিপোর্ট ছাপা অথবা সম্প্রচার হয় তখন সেটি যতটা ছড়িয়ে পড়ে, অনলাইনের ক্ষেত্রে সেটি আরও দ্রুত বিস্তার লাভ করে।

একটা সময় ছিল যখন বিশ্বাসযোগ্যতার মাপকাঠিতে অনলাইন নিউজকে অনেকে মুদ্রিত সংবাদপত্রের নিচে রাখতেন। কিন্ত সে ধারণাও এখন পাল্টে গেছে।

এতক্ষন যে কথাগুলো উল্লেখ করলাম তার উল্টো দিকও আছে। অনলাইন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘সিটিজেন জার্নালিজম’ বা নাগরিক সাংবাদিকতার দ্রুত সংবাদ বিস্তার হচ্ছে। মানুষজন তাদের স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে  নানা ধরণের ছবি এবং ভিডিও আপলোড করছে। কোন কোন ক্ষেত্রে এসব ছবি এবং ভিডিও দারুণভাবে ছড়িয়ে পরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্ত এর একটি বিপজ্জনক দিক আছে। যারা সিটিজেন জার্নালিজম করছেন তাদের সাংবাদিকতার একাডেমিক প্রশিক্ষন বা পেশাগত দক্ষতা নেই।

একটি মূলধারার সংবাদমাধ্যম চাইলেই যে কোন ছবি, ভিডিও এবং খবর প্রচার করতে পারেনা। খবরের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করতে হয়। কিন্ত সিটিজেন জার্নালিজমে সেটির কোন বলাই নেই। বলা যায়, বস্তনিষ্ঠতা যাচাই করার তাদের কোন প্রয়োজনও তাদের নেই।

সোশ্যাল মিডিয়া অনেকে নানা ধরনের ভুয়া খবর, পুরনো ছবি এবং ভুল ছবি অনায়াসে ছড়িয়ে দিচ্ছে। অনেকে সেগুলো দেখে বিশ্বাসও করছেন। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়টি হচ্ছে, অনেক শিক্ষিত এবং সচেতন মানুষ এমন সব নিউজ অনলাইনে শেয়ার করছেন এবং লাইক দিচ্ছেন। সেগুলো আদৌ কোন বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। মজার বিষয় হচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বস্তনিষ্ঠ সংবাদ যতটা না ছড়ায়, তার চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে যূজব ‘ভুয়া সংবাদ’ এবং গুজব।

শত-শত অনলাইন পোর্টাল আসছে। যাদের সাংবাদিকতার নূন্যতম বস্তুনিষ্ঠতা নেই। বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যমের খবর ‘কাট এবং পেস্ট করে কোন ধরণের ক্রেডিট না দিয়েই ছাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে পাঠকের মাঝে সংশয় তৈরি করছে।

সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইনের বিস্তার সাংবাদিক এবং পাঠকদের মাঝে বিশাল এক তথ্যভাণ্ডার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এ বিশাল ভান্ডার থেকে তথ্য বেছে নেয়া সাংবাদিকদের জন্য এক চ্যালেঞ্জ। মূলধারার অনেক গণমাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নানা ধরণের খবর তুলে ধরছে। কিন্ত এসব খবর কতটা বস্তনিষ্ঠ সেটি যাচাই-বাছাই করে তুলে ধরা এক কঠিন কর্মযজ্ঞ।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন ছবি কতটা বস্তনিষ্ঠ সেটি যাচাই করার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কোন ছবি বা ভিডিও বাস্তব কিনা সেটি যাচাই করে দেখেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্ত বাংলাদেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যমে  এ ধরণের কোন বিশেষজ্ঞ দল আছে কিনা সেটি আমার জানা নেই।

পরিশেষে বলতে চাই, বাংলাদেশে অনলাইনের দ্রুত বিস্তারের ফলে সেটি মুদ্রিত সংবাদপত্র কিংবা টেলিভিশনের উপর কতটা প্রভাব ফেলেছে সে বিষয়ে এখনো কোন একাডেমিক গবেষনা আমারা দেখিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইনের বিস্তার ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাংবাদিকতাকে কোন দিকে নিয়ে যাবে সেটি এখন অনুমান করা মুশকিল। কারণ এখন সাংবাদিকতার ধরণ যেভাবে বদলে যাচ্ছে সেটি আমারা আজ থেকে পাঁচ বছর আগে চিন্তাও করতে পারিনি।

আকবর হোসেন :  সাংবাদিক, বিবিসি

অনুলিখন : জাহানারা ভূঁইয়া




 আরও খবর