www.muktobak.com

জয়া কাঁদলেন কেন?


 প্রথম আলো    ১৭ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার, ১২:৩৭    খবর


আর মাত্র তিন দিন। এরপর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘দেবী’। হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘দেবী’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ছবিটি। পরিচালনা করেছেন অনম বিশ্বাস। এই ছবির অন্যতম প্রযোজক জয়া আহসান। ছবিটি তৈরির জন্য সরকারের অনুদান পেয়েছেন তিনি। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা ক্লাবে ছবিটির মুক্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এখানে উপস্থাপক রুম্মান রশীদ খান জানালেন, যখন ছবির শুটিং শেষ হয়েছে, পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছিল, তখন জয়া আহসান খুব কেঁদেছেন, আবার তাঁর দলের সবার সঙ্গে চিৎকার করেছেন। কিন্তু কেন এমনটা করেছেন, সেই রহস্য আর উন্মোচন করেননি তিনি। অনুষ্ঠান শেষে জয়া ব্যস্ত হয়ে পড়েন আমন্ত্রিত অতিথিদের দেখভাল করতে।

এরই ফাঁকে কথা বলেন প্রথম আলোর সঙ্গে। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, ছবির পোস্ট প্রোডাকশনের সময় কান্না আর চিৎকারের কারণ কী ছিল? জয়া আহসান বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার মায়ের শরীরে একটা বড় অস্ত্রোপচার হয়। সেটা ছিল “দেবী” ছবির পোস্ট প্রোডাকশনের সময়। শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত ছিল, মায়ের অস্ত্রোপচার দেশের বাইরে হবে। সেভাবেই ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু ছবি মুক্তির দিন ঠিক হয়ে যাওয়ার কারণে মাকে আর বাইরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি, ঢাকার একটি হাসপাতালেই মায়ের অস্ত্রোপচার করা হয়। একদিকে মা, অন্যদিকে আমার প্রযোজনায় নির্মিত প্রথম সিনেমা। তাও আবার হুমায়ূন আহমেদের মতো কিংবদন্তি লেখকের জনপ্রিয় উপন্যাস নিয়ে। “দেবী”র পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ ছেড়ে মাকে নিয়ে যদি দেশের বাইরে অস্ত্রোপচার করতে চলে যাই, তাহলে ছবির ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বড় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। উভয়সংকট যাকে বলে। কিছুই ম্যানেজ করতে পারছিলাম না। এদিকে “দেবী” ওই সময় মুক্তি দেওয়া সম্ভব হলো না। একপর্যায়ে “দেবী” টিমের সবার সঙ্গে খুব চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করি। ওই সময় কান্নাকাটিও করেছি।’

‘দেবী’ সিনেমার পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ হয়েছে ঢাকা আর কলকাতায়। পোস্ট প্রোডাকশনের পুরো বিষয়টি জয়া নিজে তদারকি করেছেন। বললেন, ‘পোস্ট প্রোডাকশন কাজগুলো আমি কাছ থেকে দেখাশোনা করেছি। আবার আমাকে ছাড়াও চলছিল না। উভয়সংকটে পড়ে আপসেট হয়ে যাই। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। মনে হয়েছিল, যদি মাকে নিয়ে বাইরে চলে যাই, তাহলে ছবির ক্ষতি হবে। এসব ভেবে চিৎকার করেছি।’




 আরও খবর