www.muktobak.com

ঢাকা ক্যাপচার্ড ১৯৭১


 আন্দালিব রাশদী    ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার, ৬:০৯    দেশ


‘ঢাকা দখল’— এই ছিল চার্লস মোড্রেক-এর সংবাদ শিরোনাম। ১৬ ডিসেম্বর নয়াদিল্লি থেকে এ ‘ডেসপাচ’ টি পাঠিয়ে ছিলেন। ১৭ ডিসেম্বর তা প্রকাশিত হয় নিউইয়র্ক টাইমসে....১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর সংবাদ গুরুত্ব দিয়েই নিউইয়র্ক টাইমস ছেপেছে। পুরো সংবাদটিই অনূদিত হলো ---

নয়াদিল্লি, ১৬ ডিসেম্বর। পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকা দখল করার পর এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ কবুল করার পর ভারত আজ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সম্পূর্ণ অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করেছে।

পূর্বাংশে আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে হাজার মাইল দূরে পশ্চিম রণাঙ্গনে পাকিস্তানের সঙ্গে কোনো চুক্তি ছাড়াই বন্দুকের শব্দ থেমে গেছে, কাল রাত ৮টা থেকে অস্ত্রবিরতি কার্যকর হবে।

পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের কী মর্যাদা হবে, তা নিয়ে ১৪ দিনের তিক্ত যুদ্ধ শেষে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘আমাদের বিবেচনায় বর্তমান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অর্থহীন।’

পাকিস্তানে ঘাটতির সমস্যা

দেশব্যাপী এক বেতার ভাষণে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান বলেন, ‘যুদ্ধ অব্যাহত আছে এবং আমরা লড়াই চালিয়েই যাব।’

নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা বিশ্বাস করেন (প্রেসিডেট যা-ই বলুন) পাকিস্তানের সরবরাহ লাইনে তীব্র সমস্যা দেখা দিয়েছে। জ্বালানি ও গোলাবারুদের মজুদ পাকিস্তানকে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে টিকতে দেবে না।

পশ্চিম রণাঙ্গনে ছোট পাকিস্তানি শহর পাঞ্জাবের শাকার গড়ের কাছে এ দ্বন্দ্বের সবচেয়ে বড় ট্যাংকযুদ্ধে ভারত পাকিস্তানের ৪৫টি ট্যাংক ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে, অন্যদিকে ভারত হারিয়েছে ১৫টি ট্যাংক।

ভারত যখন পূর্বাঞ্চলে বিজয় উদযাপন করছে, চীন অভিযোগ করেছে ভারত তার প্রোটেক্টরেট সিকিম ও তিব্বতের সীমান্ত লঙ্ঘন করে চীনা ভূখণ্ডে অন্যায় অনুপ্রবেশ করেছে।

চীনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, চীন সীমান্তে কোনো যুদ্ধই হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, পিকিং (এখন বেইজিং) পাকিস্তানের সমর্থক, তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

পূর্ব পাকিস্তানে ভারতীয় আক্রমণ শুরু হয় ৪ ডিসেম্বর ভোরে এবং ৪ ডিভিশন পশ্চিম পাকিস্তানি সৈন্যদলের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে আজ বিকাল ৪টা ৩১ মিনিটে তা শেষ হয়।

ঢাকায় আত্মসমর্পণ দলিল সই করেন পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফেটন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি এবং ভারতীয় পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।

বিদ্রোহী বাংলাদেশ সরকারের চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কাল ঢাকা এসে পৌঁছবেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের কার্যক্রম শুরু করবেন।

আত্মসমর্পণ দলিলে বলা হয়, ভারতীয় বাহিনী আত্মসমর্পণকৃত সব পাকিস্তানি সৈন্য, বিদেশী নাগরিক, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং পশ্চিম পাকিস্তান বংশোদ্ভূত সবার নিরাপত্তা প্রদান করবে।

পশ্চিম পাকিস্তানি ও তাদের সমর্থক এবং বিহারিদের ওপর কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক নিপীড়ন এবং তাত্ক্ষণিক বিচার ও হত্যা ঠেকাতে ভারত তার দৃঢ় সংকল্পের কথা ব্যক্ত করেছে। ১৯৭১-এর মার্চে পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলে বাঙালিরা আট মাস ধরে পশ্চিম পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে নির্মমভাবে লাঞ্ছিত হয়।

আজকের আত্মসমর্পণ সম্পূর্ণভাবে একটি সামরিক বিষয়— ভারত ও পাকিস্তানের সংকট সমাধানের কোনো রাজনৈতিক চুক্তি নয়। এমনকি আন্দোলনকারী বাঙালি ও পাকিস্তানের মধ্যেও নয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হচ্ছে, পূর্ব বাংলার ক্যারিশম্যাটিক রাজনৈতিক নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্যে কী ঘটবে, তা জানা। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে রয়েছেন।

শেখ মুজিব নামে বহুল পরিচিত এ নেতার মুক্তির জন্য ভারত পাকিস্তানের জেনারেল ইয়াহিয়ার ওপর যতটা বেশি সম্ভব চাপ দেবে। তাকেই আন্দোলনকারী বাঙালিরা প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছে এবং তাদের দেশের নাম দিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতীয়রা আশঙ্কা করছে তাকে মুক্তি দেয়া না হলে পূর্ব পাকিস্তানে ক্ষমতার লড়াই এবং সংকট বিরাজ করবে।

ঢাকায় পাকিস্তানি কমান্ডার জেনারেল নিয়াজি ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র কনস্যুলেট অফিসের মাধ্যমে গতকাল আত্মসমর্পণের বার্তা পাঠালে জটিল দরকষাকষি পর্ব শেষ করে এ আত্মসমর্পণের আয়োজন করা হয়। ভারতীয় কর্মকর্তা আজ জানিয়েছেন জেনারেল নিয়াজি তার সৈন্যদের নির্ধারিত এলাকায় ‘রিগ্রুপ’ করতে চেয়েছেন অর্থাৎ লড়াই থামিয়ে সৈন্যদের স্ব স্ব অফিসারের নিয়ন্ত্রণে অস্ত্র সংবরণ করতে চেয়েছেন।

বোমাবর্ষণ বন্ধের নির্দেশ

কিন্তু তা ভারতীয়দের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। তারা সকাল ৯টায় মধ্যে সম্পূর্ণভাবে আত্মসমর্পণের নির্দেশ পাঠায়। আত্মসমর্পণ উৎসাহিত করতে রাত থেকে বোমাবর্ষণ বন্ধ রাখা হয়।

সকাল ৯টার আলটিমেটাম শেষ হওয়ার ৩০ মিনিট আগে জেনারেল নিয়াজি মিলিটারি রেডিওতে ভারতীয় আহ্বানের জবাব দেন। তিনি ৬ ঘণ্টা সময় প্রার্থনা করেন, তিনি একে বলেন সন্ধি। আত্মসমর্পণের বিস্তারিত দরকষাকষির জন্য একজন সিনিয়র ভারতীয় জেনারেলকে ঢাকায় আসার আমন্ত্রণ জানান।

ভারতীয় বাহিনী যখন উত্তর দিক থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে এগোচ্ছে এবং ঢাকার মাত্র দুই মাইলের মধ্যে চলে এসেছে, তখন ভারতীয় ইস্টার্ন কমান্ডের চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জ্যাকব হেলিকপ্টারে ঢাকা এলেন।

জেনারেল জ্যাকব ও নিয়াজি যখন আত্মসমর্পণ চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে সম্মতি জানালেন। জেনারেল জ্যাকবের ঊর্ধ্বতন জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ও অন্যান্য ভারতীয় কর্মকর্তা আত্মসমর্পণের চূড়ান্ত দলিল সই করতে ঢাকায় এলেন। ভারতীয় প্রতিনিধি দলে মুক্তিবাহিনী নামে খ্যাত বাঙালি বিদ্রোহী গেরিলাদের চিফ অব স্টাফ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন (এ অংশটি যথার্থ নয়)। তারপর আনন্দ-উচ্ছল বাঙালি জনতার সামনে দুটি ভারতীয় ব্যাটালিয়ন এবং দুটি বাঙালি ব্যাটালিয়ন ঢাকায় প্রবেশ করে এবং পাকিস্তানি বহিনীর কাছ থেকে সবকিছু বুঝে নেয়।

পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের কিছু সংখ্যক সৈন্য কেবল ঢাকায় অবস্থান করছিল, অন্যরা বিভিন্ন অঞ্চলে। নয়াদিল্লিতে ভারতীয় কর্মকর্তারা জানান, অস্ত্র সমর্পণ করার জন্য নিয়াজি সব ইউনিটে নির্দেশ পাঠিয়েছেন।

পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধে নাটকীয় শেষ অধ্যায়ে ভারতীয় বাহিনী গত রাতে বিভিন্ন ধরনের সৈন্যদের একটি কম্পোজিট ফোর্সের মাধ্যমে ভারত তার প্রথম অ্যাম্ফিবিয়াস ল্যান্ডিং- উভচর অবতরণ করে, নৌ-সেনারা তীরে উঠে কক্সবাজারের দক্ষিণাঞ্চলে হালকা প্রতিরোধ নস্যাৎ করে দেয়।

এ অ্যাম্ফিবিয়াস ল্যাংন্ডিং এটা বুঝিয়ে দেয় যে একদা তুলনামূলকভাবে দুর্বল ও অসংগঠিত ভারতীয় বাহিনী অংশত সোভিয়েত সহায়তায় সাম্প্রতিক সময়ে অনেক উন্নতি সাধন করেছে। এ যুদ্ধে ভারত অগ্রগামী প্রযুক্তি ও পদ্ধতি ব্যবহার করেছে— হেলিকপ্টার থেকে আক্রমণ, বিপুলসংখ্যক প্যারাট্রুপার অবতরণ এবং নৌ-অবরোধ।

মিসেস গান্ধী পশ্চিম রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতির নির্দেশের সঙ্গে জাতির উদ্দেশে তার বেতার ভাষণও পাঠানো হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘে অবস্থানরত তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার শরণ সিংকেও তা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। ইন্দিরা গান্ধীর বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে: ‘সীমান্ত সম্প্রসারণের কোনো আগ্রহ ভারতের নেই। এখন যেহেতু পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশে আত্মসমর্পণ করেছে এবং বাংলাদেশ মুক্ত, আমরা মনে করি এ অবস্থায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অর্থহীন।

ভারতীয় সংসদে আনন্দ

লেবু-বর্ণ শাড়ি পরে প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধী যখন ভারতীয় পার্লামেন্টে পূর্ব পাকিস্তানে আত্মসমর্পণের সংবাদ দেন, লোকসভা উল্লাসে ফেটে পড়ে।

নয়াদিল্লিতে যদিও এ নিয়ে কোনো গণবিজয় উৎসব হয়নি, লোকজন যথারীতি কর্মক্ষেত্রে গিয়েছে। তাদের প্রশান্ত অবয়বের আড়ালে স্পষ্টতই আনন্দ-অহংকার ফুটে ওঠে। তারা ক্ষুব্ধও ছিল, প্রেসিডেন্ট নিক্সনের জন্য এক ধরনের ঘৃণা জমিয়ে রেখেছে। তারা মনে করেন, নিক্সন শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানকে উদ্ধার করার জন্য বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহরের একটি টাস্কফোর্স পাঠিয়েছেন।

ভারতে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মান ও গুরুত্ব ধুলায় লুটিয়েছে, সোভিয়েত ইউনিয়ন সেখানে তাদের ক্রমাগত কূটনৈতিক সমর্থন এবং জাতিসংঘের অস্ত্রবিরতি প্রস্তাবে পুনঃ পুনঃ ভেটো দিয়ে জনগণের কাছে সম্মানের আসনে অবস্থান করছে।

প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া জাতির উদ্দেশে যে ভাষণ দিয়েছেন, তা শুনে মনে হবে তিনি পশ্চিম রণাঙ্গনে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চাচ্ছেন।

পাকিস্তানের একটি পদাতিক ও দুটি সাঁজোয়া ডিভিশন রয়েছে, এদিকে সীমান্তে ভারতীয় পক্ষেও প্রায় সমান বহর রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এতে কদিনে ভারতীয় একজন কর্মকর্তার ভাষায় তারা পাঞ্জাবের পাকিস্তান অংশে শাকারগড় শহরে বিস্তারিত জরিপ চালিয়েছে এবং ৩৬০ বর্গমাইল পাকিস্তানি এলাকা নিজেদের দখলে নিয়েছে।

গত রাতে এবং আজ পাকিস্তান ভয়ঙ্কর পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। ভারতীয় বাহিনী শাকার গড়ে বাসান্তার নদীর পশ্চিম তীর পর্যন্ত পৌঁছেছে। এখনো শহর দখল করতে পারেনি।

ভারতীয়রা বলেছে, তারা ট্যাংকের স্কোয়াড্রন পাঠিয়ে পাল্টা আক্রমণ করেছে— প্রতি স্কোয়াড্রনে ১৪টি ট্যাংক— একটার পর একটা স্কোয়াড্রন গিয়ে ভারতীয় বাহিনীতে শক্তি যোগ করছে। মুখপাত্র জানায়, এ কারণে আজ ভয়ঙ্কর ট্যাংক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

ভারতীয় বাহিনীর চিফ অব আর্মি স্টাফ জেনারেল এসএইচপিজে মানেকশ বলেছেন, আজ পূর্ব বাংলায় যে পাকিস্তানি সেনাদল আত্মসমর্পণ করেছে, তাদের সৈন্যদের জন্য উপযুক্ত এবং প্রাপ্ত মর্যাদা ও সম্মান দেয়া হবে। পশ্চিম রণাঙ্গনে যুদ্ধ সম্পূর্ণ শেষ হয়ে না আসা পর্যন্ত পাকিস্তানি সৈন্যদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি ভাবা যাচ্ছে না।

যৌথ কমান্ড

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার ও গণ সুযোগ-সুবিধাগুলো চালু করতে ভারতীয় ও বাঙালি সৈন্যদের যৌথ কমান্ড কাজ করবে, এতে বাঙালিরা সম্মত। যৌথ কমান্ডে ভারতীয়রা জ্যেষ্ঠ মর্যাদার।

একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা একান্তে বলেছেন, বিশ্বাস করুন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে যেতে চাই। আমার দখলদার বাহিনী হিসেবে থাকতে চাই না, কিংবা এমন মনে হোক এটাও চাই না।

ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, ভারত সীমান্ত লঙ্ঘন করেছে বলে চীন যে অভিযোগ করেছে, তাতে বিচলিত হওয়ার কারণ নেই। একজন বলেছেন, চীনের এ কথায় অমঙ্গলের কোনো আশঙ্কা নেই, তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন চীন দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষাই করছে, এখন হস্তক্ষেপ করে পাকিস্তানের কোনো উপকার করতে পারবে না।

অন্য পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, চীন অবশ্যই আতঙ্কিত এবং তার দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং ভারতে কূটনৈতিক সাফল্যে ক্রুদ্ধ। ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এখন বন্ধুত্বের চুক্তিতে আবদ্ধ। ১৯৬২ সালে সংক্ষিপ্ত ও সীমিত আকারের সীমান্ত যুদ্ধে চীন ভারতকে ভালোভাবেই পরাস্ত করেছিল।

(লেখাটি ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ বণিকবার্তার শুক্রবারের সাময়িকি সিল্করুটে প্রকাশিত-মুক্তবাক)




 আরও খবর